গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল-আমিন শেখ বলেন, ‘করদাতাদের সময়মতো আয়কর রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত করতে আয়কর আইন, ২০২৩-এর আওতায় নতুন কর প্রণোদনা কার্যকর করা হয়েছে।’
এনবিআর জানায়, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৭৩ অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিলকারী স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার শ্রেণীর করদাতারা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ পর্যন্ত কর প্রণোদনা পাবেন। তবে এ করছাড়ের সর্বোচ্চ সীমা ২৫ হাজার টাকা।
সংস্থাটি আরো জানায়, ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে কোনো কর প্রণোদনা মিলবে না। অন্যদিকে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা—যেটি বেশি সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর দিতে হবে। আর ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুনের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি—অতিরিক্ত কর হিসেবে প্রযোজ্য হবে।
নতুন এ প্রণোদনা করদাতাদের নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত করবে। একই সঙ্গে স্বেচ্ছায় কর পরিপালনের সংস্কৃতি আরো শক্তিশালী হবে এবং কর প্রশাসনের কার্যক্রম অধিক দক্ষ ও সুশৃঙ্খল হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গত ২২ জুলাই থেকে ২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতাদের ই-রিটার্ন সেবা চালু হয়েছে। এনবিআরের ই-ট্যাক্স প্লাটফর্মের মাধ্যমে ঘরে বসেই আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাচ্ছে। পাশাপাশি ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে কর পরিশোধের সুবিধাও রয়েছে।